Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম

আকিজ রিসোর্সের উদ্যোগে ময়মনসিংহে ইনোভার সাফল্যের যাত্রা বিজনেস মিট ত্রিশালের ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকীকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বদলি ঈশ্বরগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলদ গাছের চারা বিতরণ হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ‘স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে আমার সঙ্গে এটা করেছে’: তিশা ১৫ আগস্ট ঘিরে সারাদেশে র‌্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা লোডশেডিং ব্যবস্থাপনা ও দিন গোনা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই: বিদ্যুৎমন্ত্রী বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের সঙ্গে এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্টের বৈঠক ই-রিকশা ব্যবস্থাপনায় আসছে নতুন নীতিমালা
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

বিএফআইইউর প্রতিবেদন

এস আলমের বিরুদ্ধে সোয়া ২ লাখ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের তথ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই,২০২৬, ১০:২৩ এ এম
এস আলমের বিরুদ্ধে সোয়া ২ লাখ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের তথ্য

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলে রাজনৈতিক প্রভাব ও রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে ব্যবহার করে দেশের ৭টি ব্যাংক ও ১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নেয় এস আলম গ্রুপ। এরপর কোনো ধরনের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে নামে-বেনামে প্রায় সোয়া ২ লাখ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচার করেছে শিল্পগোষ্ঠীটি।

বাংলাদেশ ফিন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদনে ‘এস গ্রুপ’ ছদ্মনামে কেস স্টাডি হিসেবে দেশের ইতিহাসের নজিরবিহীন এই ব্যাংক কেলেঙ্কারি ও অর্থ পাচারের চিত্র তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনের প্রধান প্রধান তথ্যসমূহ:
ব্যাংক দখল ও একচ্ছত্র আধিপত্য: সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা ও রাজনৈতিক সংযোগকে কাজে লাগিয়ে বৃহত্তম বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকসহ মোট ৭টি ব্যাংক ও ১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পর্ষদ দখল করে নিজেদের অনুগতদের বসায় এস আলম গ্রুপ।

বেনামি ঋণে বিশাল ঘাটতি: গ্রুপটি মোট ২ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়, যার মধ্যে ৯০ হাজার কোটি টাকা ৪৩টি নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে এবং ৯৮ হাজার কোটি টাকা বেনামি ভুয়া (শেল) কোম্পানির নামে নেওয়া হয়। এই বিপুল ঋণের বিপরীতে মাত্র ৩২ হাজার কোটি টাকার বন্ধকি সম্পদ জমা ছিল।

যেভাবে পাচার: ট্রেড বেসড মানি লন্ডারিং (আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জালিয়াতি), হুন্ডি ও ট্রাস্ট অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এ অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়।

বিদেশে সম্পত্তি ও নাগরিকত্ব: পাচার করা অর্থে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, সাইপ্রাস ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) বিশাল সাম্রাজ্য ও অফশোর সম্পদ গড়ে তোলা হয়েছে। আইনি জটিলতা এড়াতে গ্রুপের মূল ব্যক্তিরা ৩টি ভিন্ন দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন।

বিএফআইইউ একে বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থার চরম ও পদ্ধতিগত ব্যর্থতা হিসেবে উল্লেখ করেছে। তবে এ বিষয়ে ই-মেইলে বক্তব্য চাওয়া হলেও এস আলম গ্রুপের পক্ষ থেকে কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)