Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম

আকিজ রিসোর্সের উদ্যোগে ময়মনসিংহে ইনোভার সাফল্যের যাত্রা বিজনেস মিট ত্রিশালের ইউএনও আরাফাত সিদ্দিকীকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বদলি ঈশ্বরগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলদ গাছের চারা বিতরণ হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ‘স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে আমার সঙ্গে এটা করেছে’: তিশা ১৫ আগস্ট ঘিরে সারাদেশে র‌্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা লোডশেডিং ব্যবস্থাপনা ও দিন গোনা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই: বিদ্যুৎমন্ত্রী বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের সঙ্গে এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্টের বৈঠক ই-রিকশা ব্যবস্থাপনায় আসছে নতুন নীতিমালা
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

কে কে বৌলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

তিন বছর ধরে ছাপড়া ঘরে পাঠদান, নতুন ভবনের অপেক্ষায়

মোরেলগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ : বুধবার, ২৪ জুন,২০২৬, ০১:৩১ পিএম
তিন বছর ধরে ছাপড়া ঘরে পাঠদান, নতুন ভবনের অপেক্ষায়

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার হোগলাপাশা ইউনিয়নের ১৪৬ নম্বর কে কে বৌলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গত তিন বছর ধরে অস্থায়ী ছাপড়া ঘরে চলছে পাঠদান। নতুন ভবন নির্মাণ না হওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের দুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কিসমত বৌলপুর গ্রামের বিদ্যালয়টি ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও দীর্ঘদিন ধরে অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়নি। প্রায় তিন বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ পুরোনো ভবনটি নিলামের মাধ্যমে অপসারণ করা হয়। এরপর থেকে টিনশেড ও কাঠের তৈরি দুটি অস্থায়ী কক্ষে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

জানা গেছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ক্ষুদ্র মেরামত খাতের প্রায় দেড় লাখ টাকা ব্যয়ে অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষ দুটি নির্মাণ করা হয়। তবে এসব কক্ষে নেই পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা। বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই, শিক্ষকদের জন্য নেই আলাদা অফিস কক্ষও।

প্রচণ্ড গরম ও বর্ষাকালে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করে। বৃষ্টির সময় শ্রেণিকক্ষে পানি ঢুকে বই-খাতা ভিজে যায়। ফলে অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসতে আগ্রহ হারাচ্ছে বলে জানিয়েছেন অভিভাবকরা।

বিদ্যালয়ে ছয়টি শিক্ষকের পদ থাকলেও বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন চারজন। একটি সহকারী শিক্ষকের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। এছাড়া একজন শিক্ষক প্রশিক্ষণে থাকায় সীমিত জনবল নিয়েই ৬৬ জন শিক্ষার্থীর পাঠদান কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে।

শিক্ষার্থী রাবেয়া আক্তার, জান্নাতুন নাহার, সাদিয়া আক্তার ও অর্ক রায় জানায়, “আমরা কষ্ট করে ক্লাস করি। দ্রুত একটি নতুন স্কুল ভবন চাই।”

সহকারী শিক্ষক পলি সোমাদ্দার, জয়দেব কুমার মল্লিক ও মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, প্রতিকূল পরিবেশে শিক্ষার্থীদের পাঠদান চালিয়ে যেতে হচ্ছে। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে শিশুদের বিদ্যালয়ে আসতে হয়, যা তাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর।

স্থানীয় ইউপি সদস্য কামরুজ্জামান টুকু, অভিভাবক আ. মান্নান শেখসহ এলাকাবাসী জানান, মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়ে দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ জরুরি। দীর্ঘ তিন বছর ধরে অস্থায়ী ব্যবস্থায় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অর্চনা তালুকদার বলেন, নতুন ভবনের জন্য একাধিকবার উপজেলা শিক্ষা অফিস ও এলজিইডি দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট তালিকায় বিদ্যালয়ের নাম থাকলেও এখন পর্যন্ত কোনো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি।

উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা সতীষ চন্দ্র মণ্ডল জানান, বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য বিদ্যালয়টির নাম প্রস্তাবনায় রয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)